You are currently viewing Jay Bangla Pension 2022 : অনলাইন আবেদন  কিভাবে করবেন ? যোগ্যতা ও সুবিধা কি ?

Jay Bangla Pension 2022 : অনলাইন আবেদন কিভাবে করবেন ? যোগ্যতা ও সুবিধা কি ?

নিজস্ব প্রতিবেদন : বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যর মানুষের জন্য প্রথম থেকেই বিভিন্ন ভাতা চালু করেছেন এবং তাতে মানুষের যে উপকার হচ্ছে তা বলার কিছু নেই । মমতা যখন থেকে বাংলার হাল ধরেছেন ঠিক তখন থেকে বাংলা নতুন একটা জীবন পেয়েছে। এইবার বাংলার সমস্ত গরিব মানুষের কথা ভেবে আরো একটি প্রকল্পের সূচনা করেছে নবান্ন । নতুন এই প্রকল্পের নাম ( Jay Bangla Pension ) ‘ জয় বাংলা ‘ পেনশন যোজনা ।

আজকের সমস্ত প্রতিবেদনে আমরা আলোচনা করেছি কিভাবে আপনি এই ‘ জয় বাংলা পেনশন যোজনা ‘ তে আবেদন করবেন ? আবেদন করতে কোন কোন কাগজপত্র থাকা প্রয়োজনীয় এবং এই যোজনা তে আপনি কিভাবে উপকৃত হবেন তার সমস্ত বিস্তারিত । 

প্রকল্পের নাম জয় বাংলা পেনশন যোজনা ( Jay Bangla Pension Yojana )
প্রকল্প শুরুর তারিখ১ লা এপ্রিল ২০২০
কারা এই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন?৬০ বছরের উর্ধ্বে তপশিলি জাতি ও উপজাতির বাসিন্দারা।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য পেনশন প্রদান করা ।
রাজ্যের নাম প্রশ্চিমবঙ্গ ।
প্রকল্প কে সূচনা করেন ?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
আবেদন পধতিঅনলাইন / অফলাইন
পেনশনের পরিমান মাসিক ১০০০ টাকা
সরকারী ওয়েবসাইটhttp://www.jaibangla.wb.gov.in/
Jay Bangla Pension 2022

জয় বাংলা পেনশন যোজনা কি ? ( What Is Jay Bangla Pension Scheme ? ) 

পশ্চিমবঙ্গ সরকার জয় বাংলা পেনশন প্রকল্প টি পর্যায়ক্রমে চালু করেছেন। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল পশ্চিমবঙ্গের পিছিয়ে পড়া তপশিলি জাতি এবং উপজাতির মানুষেরা যাতে নিজেরা সাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে সেটা নিশ্চিত করা। এই জয় বাংলা প্রকল্প মূলত দুটি পর্যায় চালু করা হয় । বাংলার তপশিল জাতি সম্প্রদায় ভুক্ত মানুষের জন্য রাজ্য সরকার ‘ তপশিলি বন্ধু ‘ স্কিম এবং তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্তদের জন্য ‘ জয় জোহর ‘  নামের স্কিম শুরু করেন । এই দুই সম্প্রদায় কে সাবলম্বী করতে এই দুটি স্কিম ভীষন সাহায্য করবে । 

জয় বাংলা পেনশন স্কিমের সুবিধা কি ? 

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা পেনশন প্রকল্পের সুবিধা গুলি সম্পর্কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানান এই প্রকল্পের মধ্যে দুটি স্কিম রয়েছে। বাংলার মানুষের জন্য দুটি স্কিম অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া তপশিলি জাতি এবং উপজাতি সম্প্রদায় কে অনেক টা স্বাবলম্বী করে তুলবে।

জয় বাংলা পেনশন প্রক্লপে আবেদন করার জন্য যোগ্যতা কি লাগবে ?

জয়বাংলা পেনশন প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীর যে সমস্ত যোগ্যতার বৈশিষ্ট্যগুলি রয়েছে তা আমরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করলাম । 

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। 
  • আবেদনকারীকে অবশ্যই বিপিএল তালিকা অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
  • তপশীল জাতি অথবা উপজাতি হওয়া আবশ্যিক।
  • আবেদনকারী বয়স সর্বোচ্চ ৬০ বছর হলে আবেদন করতে পারেন । 
  • আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের অন্য যেকোনো পেনশন প্রকল্পের অধীনে থাকলে চলবে না । 

জয় বাংলা পেনশন যোজনাতে আবেদন করতে কি কি নথির প্রয়োজন ?

পশ্চিমবঙ্গের জয় বাংলা পেনশন যোজনা আবেদন করতে যে সমস্ত নথিপত্রের প্রয়োজন তা বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হলো।

  • পাসপোর্ট সাইজ ফটো।
  • জাতির শংসাপত্র।
  • ডিজিটাল শংসাপত্র।
  • ডিজিটাল রেশন কার্ডের জেরক্স।
  • আধার কার্ডের জেরক্স।
  • ভোটার আইডি কার্ডের জেরক্স।
  • বাসিন্দা শংসাপত্র ।
  • ইনকাম সার্টিফিকেট ।
  • নিজস্ব ব্যাংকের পাস বই জেরক্স ( প্রথম পাতার ) 

জয় বাংলা পেনশন প্রক্লপের আবেদন কি ভাবে করবেন ?  ( How to apply online Jay Bangla Pension Yojana )

পশ্চিমবঙ্গের জয় বাংলা পেনশন স্কিমে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে অনলাইনে ফরম ফিলাপ করতে হবে। অনলাইনে ফরম ফিলাপ করার জন্য নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করে সেখানে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে । 

অথবা আপনি ইউটিউব ভিডিও দেখে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন । 

জয় বাংলা পেনশন যোজনায় কি ভাবে সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে ? 

আপনি যদি জয়বাংলা পেনশন যোজনা আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনার জেনে রাখা দরকার এই প্রকল্পের জন্য সুবিধাভোগীকে কিভাবে সরকারি কর্তৃপক্ষের দাঁড়া নির্বাচিত করা হবে। সরকার দ্বারা যাদের নির্বাচন করা হবে তারাই মূলত এই যোজনার লাভ পেয়ে থাকবেন। তাহলে চলুন নির্বাচন পদ্ধতি দেখা আসা যাক – 

  • আবেদনপত্র গুলি বি.ডি.ও ( B.D.O) / এস.ডি.ও ( S.D.O ) এর মাধ্যমে যাচাই করা হবে ।
  • বি.ডি.ও এবং এস.ডি. ও রাজ্যপালের মাধ্যমে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ডিজিটালাইজড ফর্মে যোগ্য ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করবে।
  • জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারপর এটি নোডাল কিভাবে পাঠাবেন।
  • কমিশনার, কেএমসি রাজ্য কোটাল এর মাধ্যমে সরাসরি বিভাগের যোগ্য ব্যক্তির নাম সুপারিশ করা হবে।
  • নোডাল বিভাগ পেনশন মঞ্জুর করবেন।
  • WBIFMS পোর্টালের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীর ব্যাংকে অর্থ প্রদান করবে । 
  • প্রতি মাসের 1 তারিখ পেনশন মঞ্জুর করা হবে ।

অন্য খবর দেখুন :

সবার সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply